PORTFOLIO DETAIL 

রফিকুলের ব্রিটিশ সিটিজেন অ্যাওয়ার্ড লাভ

SHARE

Want create site? Find Free WordPress Themes and plugins.

লণ্ডন, ১৯ ফেব্রুয়ারী – কমিউনিটিতে নেতৃত্ব ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখার জন্য বাংলাদেশী ক্যাটারার্স এসোসিয়েশন (বিসিএ) কর্তৃক ২০২১ সালের ব্রিটিশ সিটিজেন অ্যাওয়ার্ড পদকে ভূষিত হয়েছেন পূর্ব ল-নের রফিকুল ইসলামকে। গত ১৫ বছর তিনি ব্রিটিশ বাংলাদেশি কমিউনিটিতে নানা ধরনের সামাজিক কাজ করে আসছেন।
ব্রিটেনে কমিউনিটিতে নেতৃত্ব ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখায় পুরস্কার প্রদানের জন্য প্রচারণা চালালে ২৭ জন বিশেষ ব্যক্তিকে মনোনীত করা হয়। তাদেরই একজন রফিকুল। একক কাজের পুরস্কারের জন্য দেশব্যপী স্বীকৃতি পাওয়া এই এওয়ার্ড ব্রিটিশ সিটিজেন অ্যাওয়ার্ড।
প্রতিটি পদকে ‘দেশের ভালোর জন্য’ শব্দটি রয়েছে এবং কেবলমাত্র অল্পসংখ্যক ব্যতিক্রমী ব্যক্তির কাছে উপস্থাপন করা হয়। ব্রিটিশ সিটিজেন অ্যাওয়ার্ডকে ব্যতিক্রমী প্রচেষ্টার জন্য অসাধারণ ব্যক্তিদের স্বীকৃতি দেওয়ার দেশটির উপায় হিসাবে দেখা হয় এবং আজকের বহুসংস্কৃতি বৃটেনের সত্যিই তারা প্রতিনিধি।
কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট ও নেতা হিসাবে তাঁর ভূমিকাতে একাধিক সাফল্যের পরে তিনি ২০২০ সালে কোর্ট অব দ্যা কাউন্সিল কর্তৃক ল-নের ফ্রিডম অফ সিটি মনোনীত হন। শুধু তাই নয় তিনি কনিষ্ঠতম ব্রিটিশ-বাংলাদেশী হিসেবে ল-নের সর্বোচ্চ পুরষ্কার অর্জন করেন।
রফিকুল একজন অনুরাগী সক্রিয় তরুণ নেতা। তিনি তার কমিউনিটিকে বেঁচে থাকার এবং ইতিবাচক পরিবর্তন আনার জন্য আরও কাজ করতে চান। আর এসব বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য তিনি বিভিন্ন কর্ম পরিকল্পনা নিয়ে এসেছেন। স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক স¤প্রদায়ের মধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে তিনি নিয়মিত তাঁর দক্ষতা এবং প্রতিভা তার চারপাশের লোকদের সাথে ভাগ করে নেন। এর মধ্যে বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানকে নেতৃত্বের দক্ষতা প্রদানসহ বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানের জন্য অর্ধ মিলিয়ন পাউন্ড সংগ্রহ। বর্তমানে রফিকুল এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থাকে স্বেচ্ছাসেবী হিসাবে কৌশলগত পরামর্শ প্রদান করছেন।
রফিকুলের লিডারশিপের যাত্রা শুরু হয় স্টেপনি অল সেন্টের (পূর্বে স্যার জন ক্যাস) সিক্সথ ফর্ম এ স্টুডেন্ট কাউন্সিলের ডেপুটি লিডার হিসাবে। তিনি স্টুডেন্ট কাউন্সিলের দুটি নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করেছিলেন। এটি তাকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন স্তরের কমিউনিটি কাজে সহায়তা করেছে। এর মাধ্যমে তিনি প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি এবং অন্যান্য সিনিয়র সরকারী কর্মকর্তাদের সাথে বিভিন্ন উচ্চস্তরের বৈঠক এবং গোল টেবিল আলোচনায় ব্রিটেনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। তিনি সরকারের সহকারী হিসাবে কাজ করছেন, যেখানে তিনি স্থানীয় সরকারে অনেকগুলি উচ্চ-স্তরের কমিটি পরিচালনা করেন এবং আইনসভা পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারী প্রকল্পের তদারকি করেন।
রফিকুল অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন এবং একটি স্কলারশিপ প্রোগ্রামে লিডারশিপ স্টাডিজে সার্টিফিকেট প্রাপ্ত হন। বর্তমানে রফিকুলকে এমন নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে যারা ভবিষ্যতে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করবেন।
মরহুম হাজী হারিস উদ্দিন এবং মিসেস উম্মুরুন নেছার ছেলে রফিকুল ইসলাসম। বাংলাদেশে তাদের গ্রামের বাড়ি সিলেটের গোলাপগঞ্জে। তার পরিবারের সদস্যরাও অসহায় মানুষদের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছেন তারই অনুপ্রেরনায়।
ব্রিটেনের একটি সম্মানজনক পুরস্কার পাওয়ার পর সাংবাদিকরা তার অনুভূতি জানতে চান। জবাবে রফিকুল বলেন, এটি আমার জন্য এক বিশাল সম্মানের বিষয়। আমার পরিবার, সহকর্মী ও পরামর্শদাতাদের দিকনির্দেশনা এবং আমার প্রতি বিশ্বাস রাখার জন্য ধন্যবাদ জানাতে চাই তাদের। একই সাথে অশেষ ধন্যবাদ জানাই বিসিএ পরিবারকে আমার মতো ক্ষুদ্র মানুষকে এমন স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য।

 

Source – http://www.surmanews.com/2021/02/19/%e0%a6%b0%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b6-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%a8/

Did you find apk for android? You can find new Free Android Games and apps.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Have you dine your second vaccine https://t.co/qoii9FQJDJ
error: Content is protected !!